মঙ্গলবার ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

দুর্গাপুরে নিম্নমানের ও রাবিসমিশ্রিত খোয়া ব্যবহার করে রাস্তা নির্মানের অভিযোগ

 |  আপডেট ১২:০৭ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট  

দুর্গাপুরে নিম্নমানের ও রাবিসমিশ্রিত খোয়া ব্যবহার করে রাস্তা নির্মানের অভিযোগ

এস.এম রফিকুল ইসলাম; দুর্গাপুর, নেত্রকোনা:

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পোনে দুই কোটি টাকা ব্যয়ে একটি রাস্তার নির্মাণকাজে রাবিসমিশ্রিত ও নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। কাজ শুরুর পর থেকেই নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। কোদাল দিয়ে সড়কের খোয়া খুঁড়লে বেরিয়ে আসছে খোয়ার চেয়ে রাবিসের পরিমাণই বেশি।

খোজনিয়ে জানা যায়, উপজেলার কাঁকৈরগড়া ইউনিয়নের বড়বাট্রা গ্রামের দুলাল মিয়ার দোকান থেকে নয়ন মিয়ার পুকুরপাড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণে প্রাক্কলিত ব্যয় ১ কোটি ৬৭ লাখ ১২ হাজার ৩০৫ টাকা। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতাধীন। এলজিইডি বাস্তবায়নে সড়কটির নির্মাণকাজ পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সমীরণ চৌধুরী। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে প্রকল্পটির চুক্তি সম্পন্ন হয়। একই বছরের ডিসেম্বর মাসে কাজ শুরুর লিখিত আদেশ দেওয়া হয়। কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় ২০২৬ সালের নভেম্বর পর্যন্ত।


সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির নির্মাণকাজ এখনো মেকাডম পর্যায়ে রয়েছে। এক কিলোমিটার সড়কের প্রায় ৪৫০ মিটার অংশে মেকাডম করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ অংশে রাবিস বা ময়লা মিশ্রিত খোয়া দেওয়া হয়েছে,এজিং এ ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের ইট। স্থানীয় বাসিন্দা আলী হোসেন মিয়া বলেন, রাস্তায় যে রাবিসমিশ্রিত খোয়া দিতেছে সেটি অত্তন্ত নিম্নমানের। এই রাস্তাটা এইভাবে কইরা গেলে ৩/৪ মাসেই শেষ অইয়া যাইবো।

সোলাইমান কবির বলেন, খোযার মধ্যে খুব নিম্নমানের খোয়া পাইতেছি আমরা। আঙ্গুল দিয়ে ভাইঙ্গা ফেলাযায়। কাজগুলা যে নিম্নমানের হচ্ছে এগুলা দেখে আমরা প্রতিবাদ করি কিন্তু কোনো ফল পাই না,উল্টো ধমক শুনতে হয়। সরেজমিনে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি আব্দুল হান্নানের সঙ্গে প্রতিবেদকের কথা হয়, বালুমিশ্রিত খোয়া ব্যবহারের বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছেন। তবে এ বিষয়ে তিনি আনুষ্ঠানিক কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি। পরে প্রকল্পের ঠিকাদার সমীরণ চৌধুরীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার জানা মতে আমি কোনো খারাপ মাল দিয়ে কাজ করি নাই। এখন একজন তো বলতেই পারে। আপনি গিয়ে দেখেন আমরা কোনো খারাপ মাল দিছি কি না। অভিযোগ তো আসতেই পারে। কেউ অভিযোগ করলে আমি তো না করতে পারব না।

এ বিষয়ে দুর্গাপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, বালুর সঙ্গে খোয়া মিশ্রিত কিছু খোয়া পড়ছে শুনেছি পরে আমি সরেজমিনে গিয়েছিলাম। ঠিকাদারের সঙ্গে কথা হয়েছে। বালুমিশ্রিত খোয়া সরানোর জন্য বলেছি। আগামীকাল(৫ অক্টোবর)সব খোয়া উঠিয়ে ফেলবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের নির্বাহী প্রকৌশলী মহোদয় ল্যাব থেকে লোক পাঠিয়েছিলেন। তাঁরাও এসে দেখে গেছেন, খোয়ার স্যাম্পল নিয়ে গেছেন এই পরিস্থিতিতে রাস্তার কাজ সাময়িকভাবে স্খগিদ রাখা হয়েছে।

Facebook Comments Box
ব্যাকগ্রাউন্ড
বর্ডার
শিরোনাম
ফন্ট: 55px

৬ অক্টোবর, ২০২৬
দুর্গাপুরে নিম্নমানের ও রাবিসমিশ্রিত খোয়া ব্যবহার করে রাস্তা নির্মানের অভিযোগ
বিস্তারিত কমেন্টে

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

এই মাত্র পাওয়া

মো: আনোয়ারুল ইসলাম আনোয়ার চেয়ারম্যান:
মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম,বিএ (অনার্স)এম এ বাংলা প্রকাশক ও সম্পাদক:
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

স্টেশন বাজার, কাপাসিয়া রোড,পূর্বধলা নেত্রকোনা।

হেল্প লাইনঃ 01711176181

E-mail: amdadul398@gmail.com

120